যুদ্ধবিরতি আলোচনায় যোগ দেওয়া বা না দেওয়ার বিষয়ে এখনও চূড়ান্ত কোনও সিদ্ধান্ত নেয়নি ইরান। মার্কিন পক্ষ থেকে আসা পরস্পরবিরোধী আচরণের কারণে দেশটি এই পরিস্থিতিতে পড়েছে বলে জানিয়েছেন ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই।
মঙ্গলবার গভীর রাতে রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বাঘাই বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের দিক থেকে যেসব বার্তা আসছে তা পরস্পরবিরোধী। তাদের আচরণ ও কর্মকাণ্ড অগ্রহণযোগ্য।
তিনি জোর দিয়ে বলেন, ‘এটি আমাদের সিদ্ধান্তহীনতা নয়, বরং আমরা মার্কিন পক্ষের কাছ থেকে পরস্পরবিরোধী বার্তা, আচরণ ও অগ্রহণযোগ্য পদক্ষেপের মুখোমুখি হচ্ছি।’
বাংলাদেশ সময় মঙ্গলবার রাত ১১টা পর্যন্ত উভয়পক্ষ থেকেই মিশ্র বার্তা পাওয়া গেছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, ইরানের সঙ্গে চুক্তি না হলে ইরানে পুনরায় বোমা বর্ষণে প্রস্তুত রয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।
এর আগে ইরানি স্পিকার বাঘের গালিবাফ বলেছেন, রণক্ষেত্রে তেহরানের কাছে নতুন কার্ড রয়েছে, যা এখনও প্রকাশ করা হয়নি।
পাকিস্তানের তথ্যমন্ত্রী আতাউল্লাহ তারার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে জানিয়েছেন, ইসলামাবাদে শান্তি আলোচনার জন্য ইরানের প্রতিনিধি দলের অংশগ্রহণের বিষয়ে আনুষ্ঠানিক জবাবের অপেক্ষায় রয়েছে পাকিস্তান। তিনি বলেন, ‘ইরানি পক্ষের কাছ থেকে প্রতিনিধি দলের নিশ্চিত করার বিষয়ে আনুষ্ঠানিক জবাবের অপেক্ষায় রয়েছি।’
এদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সের আজ পাকিস্তানে যাওয়ার কথা রয়েছে। এই আলোচনার নতুন পর্বে অংশ নিতে তার সফরের পরিকল্পনা রয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা জানিয়েছেন। তবে ভ্যান্স এখনও ওয়াশিংটন ডিসিতে অবস্থান করছেন এবং তিনি কখন রওনা হবেন, তা স্পষ্ট নয়।